Monjurul Islam - demo
Treatment Duration: 11 month
Outcome:
happy and cure
Page no: 70
বংশগত ইতিহাস:
বাবা: ফ্যাটি লিভার ছিল
মা: হার্টের সমস্যা আছে
নানী: অন্ধ হয়ে গিয়েছিল
চাচা: কিডনীর সমস্যা ছিল
চাচা: ফ্যাটি লিভার ছিল
অতীত ইতিহাস:
১১/১২ বছর বয়সে পক্স হয়েছিল। ২০০৮ সাল থেকে ঠান্ডার সমস্যা দেখা দেয়। ২০১২ সালে কিডনীতে পাথর ধরা পড়েছিল, ২০২১ সালে অপারেশন করেছে। এর মাঝেই ফ্যাটি লিভার ধরা পড়ে। ২০১৭ সালে ডেঙ্গু হয়েছিল, তখন মাথা ঘোরাত, মাথা চক্কর দিত। বছরখানেক পরে পরীক্ষা করে গ্লুকোমা অ্যাডভান্স স্টেজ ধরা পড়ে, লেজার অপারেশন করানো হয়।
বর্তমান কষ্ট:
২ বছর যাবৎ ডান চোখে একদম দেখে না, বাম চোখে ঘোলা ও ঝাপসা দেখে। মাঝে মাঝে দুই চোখই ব্যথা করে, তবে ডান চোখে বেশি। কম্পিউটারে আধা ঘন্টা কাজ করলেই ব্যথা শুরু হয়। চোখে একটু পানি দিলে, স্ক্রীন থেকে চোখ সরিয়ে রাখলে ভালো লাগে। ঠান্ডার সমস্যা দেখা দিলে চোখ চুলকায়। চুলকানি রাতে, শোয়ার পরে বাড়ে।
পায়ের পেশীতে রাতে শোয়ার পর রি রি করে- ১ বছর যাবৎ। তখন অস্বস্তি লাগে, উঠে বসে থাকতে হয়। শীতের দিনে বাড়ে। তেল দিয়ে পা ম্যাসাজ করলে আরাম লাগে।
প্রায়েই ঠান্ডা লাগে। একটু ধুলাবালিতে গেলে, ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলেই প্রথমে হাঁচি আসে একসাথে ১০/১৫টা, তারপরেই নাক দিয়ে পানি পড়া আরম্ভ হয়। তখন অস্থির লাগে, মেজাজ খিটখিটে হয়, এমনকি কাউকে দেখতেও ইচ্ছে হয না। গরমের দিনে তুলনামূলক ঠান্ডাটা বেশি লাগে। গরম কিছু খেলে ভালো লাগে।
পায়খানা একটু কষা, প্রতিদিন হয়, কিন্তু নির্দিষ্ট কোন সময় নাই, পায়খানা করতে সময় বেশি লাগে। প্রস্রাব পরিষ্কার হয় না, মনে হয় আরও হলে ভালো হতো। ঘাম কম, বুক বেশি ঘামে, ঘামলে অস্বস্তি লাগে। ঘুম ভালো হয় না, ১/২ ঘন্টা ঘুমানোর পর ঘুম ভেঙ্গে যায়, টানা ঘুম হয় না। সারা বছর গরম পানিতে গোসল করে, গোসলে ঢুকতে আলেসেমি লাগে। পিপাসা মোটামুটি, তবে একবারে ৩০০ মিলির মতো পানি খায়। গরম ভালো লাগে, শীতে অস্বস্তি লাগে- কাথাঁ-কম্বল গায়ে জড়াতে হয়, তাই।
সহজে রাগ উঠে না, রাগ উঠলে চুপ করে থাকে, তখন সান্তনা দিতে গেলে রাগ বেড়ে যায়।
মাছ, ডিম পোচ, মাংস পছন্দ্। টক দই খুব পছন্দ। দুধ খেতে ইচ্ছে করে কিন্তু সহ্য হয় না। ঝাল, টক, নোনতা পছন্দ। মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করে না। লবণ খাওয়ার অভ্যাস নাই। চর্বি পছন্দ।
ভয়: রাতে বাসায় একা থাকলে (গ্রামে জ্বীন-ভুতের ভয় এবং শহরে চোরের ভয়), বিচ্ছু জাতীয় প্রাণী দেখলে, মারামারি দেখলে, রক্ত দেখলে ভয়।
রোগ নিয়ে প্রায় সময়ই দুশ্চিন্তা হয়, মনে হয় পরিবারের কি হবে, ভবিষ্যৎ কেমন কাটবে। মাঝে মাঝে আশাহীন হয়ে পড়ে। একা একা থাকতে বেশি ভালো লাগে।
